ইসলামের দৃষ্টিতে নারী
শেখ ফাতিমা রংপুর নগর প্রতিনিধি.
ইসলাম নারীকে সর্ব প্রথম মর্যাদা দিয়েছে।ব্যাক্তিগত, পারিবারিক,সামাজিক, রাজনৈতিক,সর্বোপরি জীবনের সবদিকে। পবিত্র আল কুরআনে নারী অধিকারের বিষয় গুলো পূঙ্খানূঙ্খানূ রুপে বর্ননা করা হয়েছে। সূরা বাকারা, সূরা নিসা,সূরা মায়েদা,সূরা মুজাদিলা ,সূরা মুমতাহিনা, সূরা আত্ -তাহরীম সূরা নূরে ও পবিত্র আল কুরআনের অন্যান্য সূরায় নারীদের ব্যাপারে যে বিধান কার্যকর করা হয়েছে তা জাহেলিয়া যুগে অত্যাচারিত নারীদের মুক্তিকে কেন্দ্র করে কিয়ামত পর্যন্ত ইসলাম ধর্মের সকল নারীদের জীবন বিধান । যে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। নারীদের নিজ নিজ অধিকার উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে। ইসলামে নামাজ ও অন্যান্য ফরজ বিষয়ের মত পর্দাকে ফরজ করা হয়েছে। পর্দা,বিয়ে,তালাক, ও তার বিধান দেনমোহর ,মাতৃত্বের খোলাশা বিধান কার্যকর করা হয়েছে। ব্যাভিচার ,লিয়ান ও তার শাস্তির বিধান। সন্তানের দুগ্ধ পান করানোর সময়সীমা যাতে মাতৃতের উপর কোন ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে। ইসলামে একমাত্র নারীকে এতবড় সম্মান দিয়েছে।মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশ্ত।এই বিরল সম্মান দিয়েছে যা পিতাকে দেয়নি এমনকি অন্যকোন ধর্মে নেই।পবিত্রতার দিক গুলোতে নারীদের বিষয় গুলো খুব স্পষ্ট। হায়েয, নিফাস, সহবাস ইত্যাদি বিষয় গুলোতে যার নির্দিষ্ট সময় সীমা বেধে দেয়া হয়েছে।সূরা আন নিসা,সূরা আন নূরে পর্দার বিষয়গুলোর ব্যাপারে বলা হয়েছে হে নারীগন জাহেলিয়া যুগের নারীদের মত,তোমরা তোমাদের সৌন্দযর্ কে প্রকাশকরে বেড়াইওনা। তোমাদের অলংকারকে যেগুলো শব্দ করে। পূর্বে যা হয়ে গিয়েছে তা তো হয়ে গিয়েছে। বুহতান (মিথ্যা অপবাদ)সত্বীত্ব, নারীত্ব , মাতৃত্ব । এমনকি মুহরিম যাদের সঙ্গে চলাফেরা নিরাপদ রক্ত সম্পর্কের কারনে অথবা দুগ্ধ সম্পর্কীয় কারনে। নামাজ আদায়,মুহরিমদের সাথে নিয়ে নারীদের হজ্ব পালন,হায়েয অবস্থায় কাবাঘর তাওয়াফ ও পবিত্র কুরআন শরীফ স্পর্শ এমনকি স্বামী সহবাস নিদিষ্ট দিনগুলোতে নিষিদ্ধ। এমনকি শালীন পোশাক পরিচ্ছেদ,দাফন Ñকাফন জীবনের সকল বিষয়ে ফায়সালা করে দিয়েছে ইসলাম। সুতরাং চুলচেরা বিশে¬ষনে দেখাযায় ইসলাম ÑইÑনারীকে যথাযথ মর্যাদা দিয়েছে এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। যা আমাদের ইসলাম ধর্মাবলম্বী মুসলমান নারী দের সঠিকভাবে মেনে চলা উচিত। যাতে ইসলাম আমাদের নারীদের যে মর্যাদা দিয়েছে তা সঠিকভাবে আদায় করতে পারি ।
শেখ ফাতিমা রংপুর নগর প্রতিনিধি.
ইসলাম নারীকে সর্ব প্রথম মর্যাদা দিয়েছে।ব্যাক্তিগত, পারিবারিক,সামাজিক, রাজনৈতিক,সর্বোপরি জীবনের সবদিকে। পবিত্র আল কুরআনে নারী অধিকারের বিষয় গুলো পূঙ্খানূঙ্খানূ রুপে বর্ননা করা হয়েছে। সূরা বাকারা, সূরা নিসা,সূরা মায়েদা,সূরা মুজাদিলা ,সূরা মুমতাহিনা, সূরা আত্ -তাহরীম সূরা নূরে ও পবিত্র আল কুরআনের অন্যান্য সূরায় নারীদের ব্যাপারে যে বিধান কার্যকর করা হয়েছে তা জাহেলিয়া যুগে অত্যাচারিত নারীদের মুক্তিকে কেন্দ্র করে কিয়ামত পর্যন্ত ইসলাম ধর্মের সকল নারীদের জীবন বিধান । যে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। নারীদের নিজ নিজ অধিকার উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে। ইসলামে নামাজ ও অন্যান্য ফরজ বিষয়ের মত পর্দাকে ফরজ করা হয়েছে। পর্দা,বিয়ে,তালাক, ও তার বিধান দেনমোহর ,মাতৃত্বের খোলাশা বিধান কার্যকর করা হয়েছে। ব্যাভিচার ,লিয়ান ও তার শাস্তির বিধান। সন্তানের দুগ্ধ পান করানোর সময়সীমা যাতে মাতৃতের উপর কোন ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে। ইসলামে একমাত্র নারীকে এতবড় সম্মান দিয়েছে।মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশ্ত।এই বিরল সম্মান দিয়েছে যা পিতাকে দেয়নি এমনকি অন্যকোন ধর্মে নেই।পবিত্রতার দিক গুলোতে নারীদের বিষয় গুলো খুব স্পষ্ট। হায়েয, নিফাস, সহবাস ইত্যাদি বিষয় গুলোতে যার নির্দিষ্ট সময় সীমা বেধে দেয়া হয়েছে।সূরা আন নিসা,সূরা আন নূরে পর্দার বিষয়গুলোর ব্যাপারে বলা হয়েছে হে নারীগন জাহেলিয়া যুগের নারীদের মত,তোমরা তোমাদের সৌন্দযর্ কে প্রকাশকরে বেড়াইওনা। তোমাদের অলংকারকে যেগুলো শব্দ করে। পূর্বে যা হয়ে গিয়েছে তা তো হয়ে গিয়েছে। বুহতান (মিথ্যা অপবাদ)সত্বীত্ব, নারীত্ব , মাতৃত্ব । এমনকি মুহরিম যাদের সঙ্গে চলাফেরা নিরাপদ রক্ত সম্পর্কের কারনে অথবা দুগ্ধ সম্পর্কীয় কারনে। নামাজ আদায়,মুহরিমদের সাথে নিয়ে নারীদের হজ্ব পালন,হায়েয অবস্থায় কাবাঘর তাওয়াফ ও পবিত্র কুরআন শরীফ স্পর্শ এমনকি স্বামী সহবাস নিদিষ্ট দিনগুলোতে নিষিদ্ধ। এমনকি শালীন পোশাক পরিচ্ছেদ,দাফন Ñকাফন জীবনের সকল বিষয়ে ফায়সালা করে দিয়েছে ইসলাম। সুতরাং চুলচেরা বিশে¬ষনে দেখাযায় ইসলাম ÑইÑনারীকে যথাযথ মর্যাদা দিয়েছে এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। যা আমাদের ইসলাম ধর্মাবলম্বী মুসলমান নারী দের সঠিকভাবে মেনে চলা উচিত। যাতে ইসলাম আমাদের নারীদের যে মর্যাদা দিয়েছে তা সঠিকভাবে আদায় করতে পারি ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন